
| শিরোনাম | বাংলাদেশের নদী-অভিধান |
|---|---|
| লেখক | আবু দায়েন |
| প্রকাশনী | মাওলা ব্রাদার্স |
| ISBN | 9789846930078 |
| পৃষ্ঠা | 300 |
| সংস্করণ | August 25 |
| দেশ | Bangladesh |
| ভাষা | Bangla |
পদ্মা-মেঘনা-যমুনা- ব্রহ্মপুত্র-বুড়িগঙ্গা-শীতলক্ষ্যা-মধুমতি-ঘাগট-তিস্তা-আগুনমুখো-বলেশ্বর-ধানসিঁড়ি – বিচিত্র নামের অসংখ্য নদ-নদী বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব নদীর সঙ্গে কূলবিধৌত মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। মানুষের সুখ-দুঃখ, ভাগ্য-দুর্ভাগ্যের সক্রিয় উপাদান এসব নদী। সুখ-দুঃখ বা ভাগ্যের চড়াই-উৎড়াই-সূত্রে নদীকে নিয়ে মানুষের বিচিত্র সব কথা । জীবনের অপরিহার্য উপাদান জলের উৎস-সূত্রে নদীর ওপর মানুষ অসীম নির্ভরশীল।সে নির্ভশীলতা-সূত্রে নদী তাদের আপনজন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাসে নদী কেবল জলপ্রবাহের ভৌগোলিক ধারা নয়। বরং তাদের জীবনের অনুষঙ্গী সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ত এক জীবন্ত সত্তা।
দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক হলেও নদ-নদীর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।তবে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নদী সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত-পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে,যা আশাব্যঞ্জক। প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, দৈর্ঘ্য, ও গভীরতায় দেশের বৃহত্তম নদী হচ্ছে মেঘনা। এ নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৩৩০ কিলোমিটার, ভৈরবের কাছে প্রস্থ দেড় কিলোমিটার ও গভীরতা ২৫ মিটার। চাঁদপুরের কাছে প্রস্থ ১৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৭ মিটার। সে জরিপে দেশের ক্ষুদ্রতম নদী হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার গোবরা। দৈর্ঘ্য মাত্র ৪ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৫ মিটার। পলি জমে এ নদীর গভীরতা হ্রাস পেয়ে ৩০ সেন্টিমিটারে উপনীত হয়েছে। অবশ্য সর্বশেষ জরিপে আরও ছোট নদীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যেমন, সুনামগঞ্জ সদরের জালু নদী, যার দৈর্ঘ্য মাত্র ১ কিলোমিটার।
এই জরিপে ১ কিলোমিটারের কম বেশকিছু জলপ্রবাহের পরিচয়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
এসব জলপ্রবাহকে অনেকে নদী বলতে চান না , খাল বা ভাড়ানি হিসেবে এসবের পরিচয়।
তবে ,পরিচয় যাই থাকুক,প্রবাহিত জলপ্রবাহই মুখ্য।
বাংলাদেশের নদ- নদীর উৎপত্তি, গতিপথ, নামকরণে অন্যবিধ তথ্য, অববাহিকা ও সন্নিহিত অঞ্চলের ঐতিহ্যিক অনুষঙ্গ, সামাজিক-রাজনৈতিক ও পরিবেশ-সংক্রান্ত বিবেচনায় নদীর গুরুত্ব ইত্যাদি বাংলাদেশ নদী অভিধান- এ সন্নিবেশিত হয়েছে, যা এ যাবৎকালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সর্বোচ্চ সংখ্যক বিবরণ।
Reviews
There are no reviews yet.